বাতাশে মিলিয়ে যাবে লোক চক্ষুর আড়ালে । তবে আড়ালে গিয়েই কী তার কার্কলাপ শেষ হবে । বরং রাতের অন্ধকার নামতেই অরণ্যের সীমানায় রহস্যময় কোন আচরণ শরু করবে । সেতো কোনো সাধারণ মানুষ নয়,এমনো হতে পারে সে একজন প্রাচীন বংশের শেষ 'শেইপ শিফটার' বা রূপ পরিবর্তনকারী। পরিস্থিতির প্রয়োজনে সে যেকোনো রূপ ধারণ করতে পারে, তবে তার সবচেয়ে প্রিয় এবং কার্যকর রূপটি যে একটি চটপটে 'বেজী' তাতে কোন সন্দেহ নেই আপনের পোস্টের প্রচ্ছদের ছবিটি দেখে ।
তার অনেক কাজ আছে লোক চক্ষুর অন্তরালে । শহরের কুখ্যাত চোরাকারবারী দল যখন অরণ্যের আদিম সম্পদ ও গোপন নকশা চুরি করে পালায়, শেইপ শিফটার তাদের পিছু নেয়। মানুষের রূপ নিয়ে তাদের কড়া পাহারার ভেতর ঢোকা অসম্ভব করে তুলে। সে চোখ বন্ধ করে নিজের শ্বাসের গতি পরিবর্তন করতে পারে। মুহূর্তের মধ্যে তার ত্বক ঘন ধূসর লোমে ঢেকে দিতে পারে, হাত-পা সংকুচিত করে চার পায়ে রূপ নিয়ে এবং চোখ দুটি করে তুলতে পারে প্রখর ও জ্বলজ্বলে। তাই সে সহজেই হতেপারে এক ক্ষিপ্র বেজী।
তার এই রূপের প্রধান সুবিধা অবিশ্বাস্য গতি এবং বিষাক্ত সাপের মতো শত্রুদের আক্রমণকে ফাঁকি দেওয়ার ক্ষমতা।
শত্রু শিবিরের সূক্ষ্ম তারের ফাঁক গলে এবং সুরঙ্গের ভেতর দিয়ে সে অনায়াসে ঢুকে পড়তে পারে। চোরেরা যখন মূল ভল্ট খোলার কোন প্রস্তুতি নেয় , ঠিক তখনই বেজী রূপে সে তাদের চোখের পলকে আক্রমণ করতে পারে। তার ধারালো দাঁত আর নখের আঘাতে শত্রুরা হয়ে যেতে পারে দিশেহারা । কেউ বুঝতেই পারবেনা না, সাধারণ একটি প্রাণী কীভাবে এত নিখুঁত এবং বুদ্ধিদীপ্ত উপায়ে তাদের পুরো পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দিতে পারে।ডাইনী হোক যাই হোক এমন বেজীর মত তেজী এমন শেইপ শিফটার হলে ক্ষতি কী.সেতো সচরাচর ভাল ছাড়া ক্ষতি করেনা কারো , তাকে দেখে ডাইনী ভেবে ভয় পাবার এত কী আছে ।
আপনার গল্পের কাহিনী সুত্র ধরেই এই শেইপ সিফটারের সম্ভাব্য কিছু কর্মগাথা হলো বলা ।
আপনার গল্প সুন্দর হয়েছে ।
শুভেচ্ছা রইলো।

গল্প নয় ।
ReplyDeleteবাস্তব অভিজ্ঞতা।
তাই হ্যান্ডেল করা কঠিন হয়ে গিয়েছিল।
তবে বেজীর শারীরিক গঠন আর ক্ষিপ্রতা আসলেই চমকে দেবার মতন সৃষ্টি।
জেনেটিক এঞ্জিনিয়্যারিং - এর অনবদ্য শিল্পকর্মের মতো মনে হলেও, প্রকৃতির এক নিখুঁত নকশা।