ডঃ এম এ আলী
অমিত্রার চিঠিটি পড়লাম । চিঠিতে মিত্রা সুন্দর করে সুমনের সাথে তার যোগাযোগ কাহিনী থেকে মৃত্যুপর্যন্ত বিষয়াবলি কল্পনার প্রতিমূর্তিতে সুস্দর করে এঁকেছে । চিত্রা তার সকল জাগতিক কাজ ফেলে রেখে শুধুমাত্র সুমনের কথা ভেবে চিরন্তন আনন্দ ও প্রেমের সুধা পান করার ধ্যানে মগ্ন , যেখানে চেতনা বেদনাবন্ধন ভুলে গিয়ে শুধু প্রেম আর সৌন্দর্যে মগ্ন থাকা যায়। জাগতিক বন্ধনমুক্তির চিন্তায় দেখা যায় মিত্রার যেন আজ কোনো কাজ নয়, ছন্দ, বন্ধ, গ্রন্থ, বা গান সবকিছু ভুলে যেতে হবে।
কল্পনার মিলনে ব্যস্ত সে, সাধন ধন মন মানস সবকিছু দিয়েই অমিত্রা কল্পনায় শুধু সুমনকেই ভাবছে।
সে চায় শুধু একবার প্রিয়তমের কাছে বসতে, শুধু কূজন গুঞ্জন করতে, সন্ধ্যার সোনালি কিরণকে মদিরা হিসেবে পান করতে।যতক্ষণ না অন্তরের শিরা উপশিরা লাবণ্যে ভরে উঠছে, যতক্ষণ না চেতনার বন্ধন টুটে যাচ্ছে, ততক্ষণ এই নীরব আনন্দ উপভোগ করতে চাচ্ছে এ যেন তার চেতনার মুক্তি। লেখাটিতে সুন্দরভাবে প্রেম, সৌন্দর্য, এবং সৃষ্টির এক গভীর আধ্যাত্মিক অনুভূতির প্রকাশ পেয়েছে যেখানে অমিত্রা তাঁর কল্পনার জগৎকে বাস্তবতার ঊর্ধ্বে নিয়ে যেতে চেয়েছে।
সে চায় শুধু একবার প্রিয়তমের কাছে বসতে, শুধু কূজন গুঞ্জন করতে, সন্ধ্যার সোনালি কিরণকে মদিরা হিসেবে পান করতে।যতক্ষণ না অন্তরের শিরা উপশিরা লাবণ্যে ভরে উঠছে, যতক্ষণ না চেতনার বন্ধন টুটে যাচ্ছে, ততক্ষণ এই নীরব আনন্দ উপভোগ করতে চাচ্ছে এ যেন তার চেতনার মুক্তি। লেখাটিতে সুন্দরভাবে প্রেম, সৌন্দর্য, এবং সৃষ্টির এক গভীর আধ্যাত্মিক অনুভূতির প্রকাশ পেয়েছে যেখানে অমিত্রা তাঁর কল্পনার জগৎকে বাস্তবতার ঊর্ধ্বে নিয়ে যেতে চেয়েছে।
এই পোস্টের লেখাটিতে অমিত্রার ভাবনা আর চিন্তা গুলিকে লেখকের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়কে চিহ্নিত করে যাচ্ছে বলে অনুভুত হচ্ছে। সোনার তরীতে থাকা রবীন্দ্র নাথের মানসসুন্দরী কবিতার চরণের উদ্ধৃতি লেখটিকে একটি উচ্চমাত্রা দিয়েছে ।
আমিতো ইয়র্কশায়ারের কাছিকাছিতেই থাকছি । আত্মীয় স্বজন থাকার কারণে মনট্রিয়ল এলাকায় মাঝে মধ্যে যেতে হয় । খোদা না করুন সেখানে চেরীফল বাগানের কাছে যেন চিরনিবাস হয়ে না যায়, কেননা সেখানে এমন কেও নেই যে মিত্রার মত করে চিঠি লিখবে।
********


No comments:
Post a Comment